1. admin@news.bholarnews.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:৫০ অপরাহ্ন

দৌলতখানের নেয়ামতপুর চরে মহিষের বাথান ঘর পুড়ে ছাই

  • প্রকাশ কাল বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

দৌলতখান প্রতিনিধিঃ

ভোলার দৌলতখানের দুর্গম চরে রাতের অন্ধকারে দূর্বৃত্তের দেয়া আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে মহিষ পালনের একটি বাথান ঘর। এতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে বাথানের লোকজন জানিয়েছে। বাথান ঘরের নিচে ও চারদিকে রাখা মহিষের ক্ষয়ক্ষতির কথা তাৎক্ষণিকভাবে জানা জায়নি। বাথানের লোকজন জানায়, দুর্বৃত্তের দেয়া আগুন বাথান ঘরে ছড়িয়ে পড়লে মহিষ, গরু ও ভেড়াগুলো ছুটে চরের বিভিন্ন দিকে চলে যায়।

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে নয়টার দিকে প্রমত্তা মেঘনার বুকে জেগে ওঠা দুর্গম চর নেয়ামত পুরে।

সরজমিন বুধবার দৌলতখানের মূল ভূখ- থেকে বিচ্ছিন্ন মেঘনার বুকে জেগে ওঠা প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে মেঘনা পাড়ি দিয়ে দুর্গম চর নেয়ামতপুর এ প্রতিনিধি গেলে মহিষ পালনের বাথানের লোকজন মো. মিজান, কামাল, হারিছ, শাকিল, মুনসুর ও মাইনুদ্দিন জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে ৩০ থেকে ৪০জন লোক বাথান ঘরের চারদিক ঘেরাও করে রাখে। ওই সময়ে গামছা দিয়ে পেঁচানো মুখোশধারী ৩ থেকে ৪ জন লোক বাথান ঘরে আমাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যেতে বলে।

আমরা প্রাণ রক্ষায় ১১ জন চরে মহিষ চড়ানো বাথানের লোক ভয়ে দিকবিদিক পালিয়ে যাই। সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তরা এ সময়ে বাথান ঘরে আগুন লাগিয়ে দিলে বাথান ঘর ও বাথান ঘরে রাখা টাকা পয়সা, মহিষের চিকিৎসার ঔষধ অন্যান্য মালামাল ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে দুইটি মহিষের শরীর পুড়ে গেছে বলে বাথানের লোকজন জানিয়েছে। তবে কে বা কারা আগুন দিয়ে বাথান ঘর পুড়িয়ে ছাই করেছে তা তারা বলতে পারিনি। চরে মহিষ, গরু ও ভেড়ার মালিক বিএনপি নেতা জাকির হোসেন বাবুল কমিশনার, হাজী আকবর হোসেন ও ফয়েজ মাস্টার জানান, মন্নান হাজারী, ইসমাইল কারী, আনোয়ার মিয়া ও ফিরোজ বাঘাসহ নয়জন মালিকের চরে প্রায় এক হাজার মহিষ, দুই শত গরু ও শতাধিক ভেড়া পালন করে আসছে বাথানের এগারো জন লোক। তবে কে বা কারা রাতের অন্ধকারে আগুন লাগাতে পারে সে বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে জানাতে পারেননি তারা।

জাকির হোসেন বাবুল কমিশনার ও হাজী আকবর হোসেন জানান, আগুন লাগার সন্দেহের তীর জামাল হাওলাদার ও লিটন হাওলাদার গংদের দিকে। তাদের উভয়ের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নে।

কিছুদিন পূর্বে ভোলা থেকে এসে তারা লোকজন নিয়ে বাথান ঘরের পূর্ব দিকে জোর পূর্বক একটি ঘর উত্তোলন করতে চেয়েছিল। ওই সময় মহিষ রাখার লোকজন ঘর তুলতে তাদেরকে বাধা দেয়।

দৌলতখান থানার অফিসার ইনচার্জ জিল্লুর রহমান জানান, পুলিশ চরে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এসেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

শেয়ার করুন...

এধরণে আরও নিউজ