1. admin@news.bholarnews.com : admin :
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৩০ অপরাহ্ন

সড়ক ভেঙে খালে, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

  • প্রকাশ কাল মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার:

ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা বাজার থেকে রোদ্রের হাট পর্যন্ত সড়কটির কয়েক জায়গায় বিশাল অংশ ভেঙ্গে পাশের খালে পড়েছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে সাধারণ পথচারী ও যানবাহন। সোমবার (৩০শে সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। দ্রুত সংস্কার করা না হলে যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের দূর্ঘটনা এমনটাই বলছেন পথচারীরা।

ইলিশা বাজার থেকে রাস্তার মাথা বাজার, রোদ্রের হাট, শান্তির হাট, বয়াতির হাট,তুলাতলি বাজার, জনতা বাজার, ক্লোজার বাজার, মাঝ কাজী বাজার পর্যন্ত এই সড়কটি অত্যান্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। তবে এসব এলকার মানুষ ভোলার সর্ববৃহৎ পশুর হাট ইলিশা বাজারে যেতে হলে এই সড়কের বিকল্প নেই, ফলে এই এলাকার বাসিন্দা ও হাট বাজারে আসা যাওয়ার একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম দীর্ঘ এই ১৫ কিলোমিটার সড়কটি। ইলিশা বাজার সংলগ্ন পশ্চিম পাশে ব্রীজের উভয় পাশে ধ্বসে পড়ছে, কিছু দুর পরে মাতাব্বর বাড়ির পোল নামে পরিচিত জায়গায়টি ধ্বসে পরে বেহাল দশার তৈরি হয়েছে,ফলে ভ্যান,অটোরিকশা, ইজিবাইক, মটর সাইকেল ও নসিমন, করিমনসহ সকল ধরণের যানবাহন চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কিছুদিন আগেই মাতাব্বর পোল পূর্ণরায় নির্মান করা হয়েছে।

নির্মানের সময় খালের মাটি তুলে পার্শ্ব রাস্তা তৈরি করা হয়েছে বলে মূল সড়কটি ধ্বসে পরার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই এবছর অতিরিক্ত বৃষ্টি পাতের ফলে সড়কটি ধ্বসে পড়ছে বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।

এছাড়াও ইলিশা রৌদ্রের হাট থেকে জনতা বাজার সড়কটি চলাচল অনুপযোগী হয়ে পরেছে। ঘটছে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা। স্কুল কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীদের পরতে হচ্ছে দুর্ভোগে। দক্ষিণবঙ্গ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সোহান জানান, কলেজ যাতায়াতে ভীষণ বিপদে পরতে হচ্ছে। রাস্তার কথা শুনলেই অটো চালাকসহ কেউই যেতে রাজি হয়না, ভাড়াও দ্বিগুণ গুনতে হচ্ছে। সেখানের সকল স্কুল কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানিয়েছেন এ বছরে অতিরিক্ত বৃষ্টি পাতের ফলে খালের পাশে নির্মিত সড়কের অনেক জায়গায় ধ্বসে যাবার ঘটনা ঘটেছে, তবে অতি দ্রুত এসব ধ্বসে পরা সড়কের সংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মাতাব্বর বাড়ীর কাছের সড়কটির প্রায় অর্ধেক ভেঙ্গে খালে পড়ে যায়, এখন অর্ধেকাংশ সড়ক আছে তবুও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। যেকোন সময় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে, দ্রুত সড়কে ভেঙ্গে পড়া অংশ মেরামত করা জরুরি। বর্তমানে ছোট ছোট গাড়ি ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। তবে জরুরী সেবায় ফায়ার সার্ভিস এ্যাম্বুলেন্স এর মত গাড়ি চলাচল করতে পারে না।

এই সড়কে মালামাল বহনকারী রাজাপুর ইউনিয়নের নসিমন চালক কবির সর্দার বলেন, রাস্তা ভেঙে যাবার কারনে খালি গাড়ি নিয়ে কোন রকমে যেতে পারলেও বোঝাই গাড়ি নিয়ে প্রায় ১৫ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। খালের কারনে রাস্তাটি ভেঙ্গে পড়ছে আমাদের দাবি সরকার যেন জনবহুল এই সড়কের পাশের খালে মজবুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ করে দেয়।

ধ্বসে পড়া রাস্তার বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী শিপলু কর্মকার জানান, ধ্বসেপড়া বেশকিছু সড়কের প্রস্তাব ইতিমধ্যে পাঠিয়েছি, উক্ত প্রস্তাবে এই সড়কগুলো না থাকলে আরো প্রস্তাব সংযোজন করে প্রস্তাব পেশ করা হবে, অতি দ্রুত ধ্বসেপড়া সড়কের মেরামত করা হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

 

শেয়ার করুন...

এধরণে আরও নিউজ